গরম খবরঃ টিকটক হৃদয় বাবুর হাতে পাচার হওয়া তরুণী দেশে ফিরে বললেন লোমর্হশক ঘটনা। দেখুন Exclusive ভিডিও

কুষ্টিয়ায় মোবাইল অ্যাপ টিকটক ব্যবহারকারীদের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে তরুণীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সাতক্ষীরায়। সীমান্ত এলাকায় টিকটকের ভিডিও করার কথা বলে কৌশলে ভারতে নিয়ে প্রথমে

তাকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু শহরে। সেখানে বিভিন্ন হোটেল ও ম্যাসেজ পার্লারে নারী পাচার সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করে। রাজধানী ঢাকা থেকে

প্রেমের অভিনয় ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে নিয়ে গিয়েছিল টিকটক হৃদয়। ভারত থেকে পালিয়ে আসা ওই তরুণী মামলার এজাহারে তার পাচার হওয়ার লোমহর্ষক ঘটনা উল্লেখ করেছেন। তরুণী জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের

প্রথম দিকে হাতিরঝিলে এক বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। মেয়েটি প্রথমে বসুন্ধরা ও পরে মৌচাক মার্কেটে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতো। করোনা

মহামারির সময়ে চাকরি চলে গেলে সে হৃদয়কে একটি চাকরি জোগাড় করে দেওয়ার অনুরোধ করে। একই সঙ্গে মেয়েটি নিজেও ‘টিকটক ভিডিও’র মাধ্যমে অর্থ আয়ের পথ খুঁজতে থাকে।

বেঙ্গালুরুতে গিয়ে তিনি আরও কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণীকে দেখতে পান। সেখানে তাদের আবারও ধর্ষণ করা হয়। বেঙ্গালুরুর আনন্দপুরার একটি বাসায় আটকে রেখে তাদের আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন ম্যাসেজ পার্লারে পাঠিয়ে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করে তারা।

এজাহারে ওই তরুণী আরও উল্লেখ করেন, কয়েক দিন পর তাকে একটি ম্যাসেজ পার্লারে পাঠানো হয়। কিন্তু দুদিন পর প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হলে আবারও আরেকটি বাসায় নিয়ে তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে পাঠানো হয় আরেকটি হোটেলে। সেখানে একদিন থাকার পর পালিয়ে কলকাতা হয়ে অন্য একজনের সহায়তায় ৭ মে দেশে ফেরেন বলে জানান ওই তরুণী।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন…

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*