যু’দ্ধ হচ্ছে ইউক্রেনে আর সব কিছুর দাম বেড়েছে বাংলাদেশে।

একটা বিষয় আমি কোন ভাবেই বুঝতে পারছি না। যু’দ্ধ হচ্ছে আমার ঠিক পাশের দুই দেশে। আর বাংলাদেশে সব কিছুর দাম আকাশ-পাতাল বেড়ে গিয়েছে মুহূর্তেই। আমার অবশ্য বুঝতে পারার কথাও না। কারন আমি অর্থনীতি সেই অর্থে বুঝি না। এর চাইতে বরং আমি তুলনামূলক চিত্রটা তুলে ধরি। যার যেভাবে ইচ্ছা বুঝে নিক।

আমার এখানে এক কেজি পেঁয়াজের দাম বাংলাদেশি টাকায় এই মুহূর্তে ৩৯ টাকা থেকে ৪৫ টাকার মাঝে। আর বাংলাদেশে শুনেছি এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা হয়েছে এখন! আমার এখানে মানুষের গড় মাসিক আয় হচ্ছে বাংলাদেশি টাকায় এই মুহূর্তে এক লাখ বিশ হাজার

টাকার মতো। কারো হয়ত এর চাইতে বেশি। কারো হয়ত কম। আর বাংলাদেশে গড় মাসিক আয় কতো? আমার ঠিক জানা নেই। ধরে নিচ্ছি বাংলাদেশে মানুষের গড় আয় ২৫ হাজার টাকা। কারো হয়ত এর চাইতে বেশি। কারো এর চাইতে কম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আমরা এখানে এক লাখ ২০ হাজার টাকা গড় আয় হবার পরও পেঁয়াজ কিনছি ৪০ টাকা কেজিতে। এই দেশ একটা পেঁয়াজও নিজেরা উৎপাদন করে না। করবে কি করে? এখানে তো পুরো বছর বরফ পড়ে! সামারে হয়ত দুই মাস কিছু চাষাবাদ হয়।

সেটাও তেমন কিছু না। আর বাংলাদেশে তো জানি পেঁয়াজ আমরা নিজেরাও চাষাবাদ করি। এরপরও দাম এতো বেশি হয় কি করে?

যুদ্ধ কী শুধু আপনাদের একার জন্য লেগেছে? অন্য দেশ গুলোতে তো আপনাদের চাইতে বেশি প্রভাব পড়ার কথা। তারা কি করে দাম মানুষের নাগালের মাঝে রাখছে? আলু, দুধ, ডিম এই সব কিছুর দাম আমার এখানে বাংলাদেশে চাইতে কম। আমার ঠিক জানা নেই

অর্থনীতিতে এর কোন আলাদা ব্যাখ্যা আছে কিনা। তবে এতটুকু বুঝতে পারি- কিছু সংস্থা আর ব্যবসায়িরা মিলে ইচ্ছা মতো লাভ করছে আর ধনী হচ্ছে। সেই সাথে দেশের জিডিপি বাড়ছে! শহরের খেঁটে খাওয়া সাধারণ মানুষ কিংবা গ্রামের কৃষক, এদের অবশ্য চাল-ডাল কিংবা পেঁয়াজ কিনতেই পুরো মাসের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*